• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

‘মামুনুলকে বহিষ্কারের কোনো প্রশ্নই আসে না’

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। মানুষকে রমজানে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে। মাহে রমজানে কওমি মাদরাসাগুলো খোলা রাখতে হবে। লকডাউন দিয়ে কওমি মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। কওমি মাদরাসা না থাকলে বাংলাদেশ স্পেন হয়ে যাবে। তাই মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। রবিবার (১১ এপ্রিল) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের এক বিশেষ জরুরি সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

আজ রবিবার সকাল ১১টায় দারুল উলূম হাটহাজারী মিলনায়তনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হেফাজতের ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের দ্বিতীয় বিয়ের ঘটনা তার ব্যক্তিগত বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী। এ বিষয়ে হেফাজতের কোনো বক্তব্য নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। সভা শেষে প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এদিকে জরুরি এ সভায় আলোচিত হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টিকে ব্যক্তিগত আখ্যা দিয়ে এ নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা কিংবা সিদ্ধান্ত হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মেখল হামিউসুন্নাহ মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জি বলেন, মামুনুল হক সাহেবের বিষয়টি ব্যক্তিগত। আলোচিত ঘটনার ওই নারী মামুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে স্বয়ং মামুনুল হক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। মামুনুল হককে হেফাজত থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে এ ধরনের একটি প্রচার শোনা যাচ্ছে উল্লেখ করা হলে নোমান ফয়জি বলেন, এটি হেফাজত বিরোধীদের অপপ্রচার। মামুনুলকে বহিষ্কারের কোনো প্রশ্নই আসে না।

গত ৩ এপ্রিল এক নারীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে অবকাশযাপনের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন হেফাজতে ইসলাম নেতা মামুনুল হক। তিনি দাবি করেন, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে চলমান বিতর্কে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে হেফাজতে ইসলামের ভেতরে। একের পর এক ফোনালাপ ফাঁস, দ্বিতীয় স্ত্রীর বড় ছেলের অনলাইন বক্তব্যসহ নানা তথ্য বিশ্লেষণ করে সংগঠনটির ভেতরে বেশ জটিল পরিস্থিতির আভাস পাওয়া গেছে। অনেকের মতে, সার্বিক ঘটনায় ঘরে-বাইরে বেশ চাপের মুখে পড়েছেন মামুনুল হক।

এ নিয়ে গত ৫ এপ্রিল (সোমবার) দুপুরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতাদের জরুরি বৈঠক জামিয়া রাহমানিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মামুনুলের বিয়েকে ‘বৈধতা’ দেওয়া হয়।

গত ৮ এপ্রিল বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে লাইভে এসে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান মামুনুল হক। তবে পরদিন বিতর্কের মুখে সেই লাইভ ভিডিওটি মুছে ফেলেন তিনি। উৎস: কালের কণ্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ